Wednesday, January 11

তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন: সম্পত্তি দখল ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী শিশু হত্যার প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়িত করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

শিশু হত্যার মিথ্যে অভিযোগে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গত ২4 আগস্ট ২০১১ ইং তারিখে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। এসময় তিনি জেল হাজতে অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ভিক্তিমের স্ত্রী মোছাঃ মালেকা বানু দ্রুত ন্যায় বিচার প্রাপ্তির লক্ষ্যে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান রাইটস্‌ (বিআইএইচআর), গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স (জিএইচআরডি) জাষ্টিসমেকার্স বাংলাদেশ নিকট গত ২৭ আগস্ট ২০১১ ইং তারিখে আবেদন করেন। 
"একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী নয়নের ভিডিও বক্তব্য দেখতে ক্লিক করুন"

বিষয়টির গুরুত্ত্ব অনুধাবন করে বিআইএইচআর, জিএইচআরডি ও জাষ্টিসমেকার্স বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে ঘটনাটি সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন এবং এডভোকেট শাহানুর ইলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তথ্যানুসন্ধান দল গত তিন মাস যাবত ঘটনাটি অনুসন্ধান করেন। 


এসময় তথ্যানুসন্ধানদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মো: নয়ন, ভিক্টিমের পিতা, স্থানীয় জনতা, চিকিৎসক, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশসহ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য গ্রহণ করেন এবং মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র, পত্রিকায় প্রকাশিত খবর ও বিশেষজ্ঞ মতামত বিশ্লেষন করেন।

তথ্যানুসন্ধানদল কর্তৃক প্রাপ্ত তথ্যগুলো নিম্নে প্রতিবেদন আকারে প্রদত্ত হলোঃ

ভিক্টিমের নামঃ                              ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ

পিতার নামঃ                                 মৃত আলহাজ শমসের আলী মন্ডল

ঠিকানাঃ                                      দক্ষিন বালুবাড়ী, থানাঃ কোতয়ালী, জেলাঃ দিনাজপুর

পেশাঃ                                        ডাক্তার, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ( বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে সার্জারী বিভাগে উচ্চতর শিক্ষায় অধ্যায়নরত), ¯^vaxbZv চিকিৎসক পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার কার্যকরী সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোশিয়েশনের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর ।

গ্রেফতারের তারিখঃ                        ২ আগস্ট, ২০১১ ইং, রোজ- বুধবার

মামলা নং-                            কোতয়ালী থানার মামলা নং-৫৭/২০১১; তারিখঃ ২৩/০৮/২০১১;
                                                জি আর  -৫৫৪/১১
                                               
ধারাঃ                                          ৩২৫/৩০৭/৩০২/২০১/৩৪ দন্ড বিধি

বাদীঃ                                          মোঃ রশিদুল ইসলাম, পিতাঃ মোঃ রুস্তম আলী, ভবাইনগর (ডাংগাপাড়া), সদর, দিনাজপুর।

জেল হাজতে প্রেরনের তারিখঃ           আগস্ট, ২০১১ ইং,

হাসপাতালে ভর্তির তারিখঃ               সেপ্টেম্বর, ২০১১

জামিনে মুক্তির তারিখঃ                ১৯ ডিসেম্বর, ২০১১

ঘটনার বিবরনঃ
গত ২২ আগষ্ট ২০১১ ইং দিনাজপুর শহরের উপকন্ঠে অবস্থিত কাশীপুর ডাঙ্গাপাড়া নামক স্থানে ইট ঘেরা প্রচীরের মধ্যে একই জেলাধীন দীঘন মাদ্রাসা পাড়ার মো: মাহাতাব উদ্দীনের ছেলে মো: শাহীনুর রহমান, কাশীপুর গ্রামের মৃত: আব্দুর রহমানের পুত্র মো: আফসার আলী ও চিরির বন্দর থানার রানী বন্দর গ্রামের মো: আশরাফুল মিলে ঘটনাস্থলে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা পোতা আছে বলে প্রলোভন দেখিয়ে একই জেলার কাশীপুর গ্রামের দরিদ্র রিকসা চালক মো: রশিদুল আলমের দ্বিতীয় পুত্র মো: নুর আলমকে অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করে পানি ভর্তি চৌবাচ্চায় ফেলে দেয় এবং তার বড় ছেলে মো: নয়নকে ইটের দ্বারা আঘাত করে মারাত্বকভাবে আহত করে (ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ও একই ঘটনায় মারাত্বকভাবে আহত ভিক্টিমের বড় ভাই মো: নয়নের বক্তব্য অনুযায়ী)ঘটনাটি নিহতের বাবা-মাসহ এলাকার মানুষজন অবগত হলে উক্ত হত্যা ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অভিযুক্ত মো: শাহীনুর রহমানকে ঘটনাস্থলের আনুমানিক ৫০০ (পাঁচশত) গজ উত্তরে অবস্থিত ঢাকা মেডিকেল কলেজে সার্জারী বিভাগে উচ্চতর শিক্ষায় অধ্যায়নরত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার কার্যকরী সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোশিয়েশনের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: মোঃ আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী মোছাম্মদ মালেকা বানু কর্তৃক একই জেলার কোতয়ালী থানাধীন মো: আতিকুর রহমানের ছেলে মো: মোকলেছুর রহমান (মুন্না) র নিকট মাসিক ১৫০০ (পনেরশত) টাকায় ১৫০ টাকার নন-জডিশিয়াল স্টাম্পের উপর সম্পাদিত লিখিত চুক্তি মোতাবেক প্রদত্ত আধা-পাকা ভাড়া বাড়ীতে আটক করে রাখে । এমতবস্থায় উক্ত ভবনের কেয়ারটেকার ডাঃ আজাদকে ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে আসতে বললে তিনি সরল বিশ্বাসে ঘটনাস্থলে আসেন এবং ভিক্টিমের পিতাকে সাথে নিয়ে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি আহত শিশুকে চিকিত্সার ব্যবস্থা করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবগত করে আবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এসময় উক্ত ভবনের কেয়ারটেকার ভবনের চাবি ডাঃ আজাদের নিকট হস্তান্তর করে শটকে পড়েন। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে ডাঃ আজাদ ভবনের চাবি পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন। এসময়  কিছু ষড়যন্ত্র ও দুষ্কৃতিকারী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উক্ত ঘটনায় ডাঃ আজাদের ইন্ধন আছে বলে অপপ্রচার করে উপস্থিত জনগনকে উত্তেজিত করে তুলতে থাকে এবং ডাঃ আজাদকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে থাকে। এসময় উপস্থিত স্থানীয় কিছু লোকের সহায়তায় ডাঃ আজাদ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন । "ষড়যন্ত্রকারীদের ধ্বংস্বাত্তকমুলক কর্মকান্ড দখতে ক্লিক করুন"

 অতপর, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষধের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত শাহীকে আটক করে পুলিশের একটি দল তাকে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালী থানায় সোপর্দ করেইতোমধ্যে আহত শিশুটির বক্তব্য অনুযায়ী পুলিশ মৃত শিশুর লাশ উক্ত ভবনের আনুমানিক ৫০০ গজ দক্ষিনে অবস্থিত অন্যের একটি খোলা প্লটে অবস্থিত অব্যবহৃত পানির চৌবাচচার মধ্য থেকে উদ্ধার  করে। এসময় এলাকার কতিপয় ষড়যন্ত্রকারী ও দুষ্কৃতিকারী প্রতিহিংসা প্রসুত উক্ত হত্যা ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করে উক্ত ভবন ও পার্শবর্তী জমি দখলসহ রাজনৈতিক ও ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে উক্ত বাড়ীতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আক্রমন, অগ্নি সংযোগ ও লুঠপাট করে বাড়িটি ভেঙ্গে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়পরবর্তীতে ষড়যন্ত্রকারী ও দুষ্কৃতিকারীরা তাদের কৃত অপরাধমূলক অবৈধ ও শাস্তিমূলক কাজের জন্য শাস্তির হাত থেকে নিজেদের বাচাঁনোর লক্ষ্যে এবং ডা: আজাদকে জেলে পুরে উক্ত বাড়ীসহ পার্শবর্তী ৫ শতাংশ জমি দখলের উদ্দেশ্যে ( ঘটনা পূর্ববর্তী সময়ে কতিপয় প্রভাবশালী দুষ্কৃতিকারী ঐ বাড়ী ও পার্শবরতী জমি জোড়পূর্বক দখলের চেষ্ঠা করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ হয়েছে এবং ঘটনা পরবর্তীতে আদালতের নিশেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও জমিটি জোড়পুর্বক দখল করে নিয়েছে ) নিহত শিশুর দরিদ্র অশিক্ষিত রিকসা চালক বাবাকে ভুল বুঝিয়ে ঘটনাটির একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত ছেলে মো: নয়ন এর বরাত দিয়ে ডা: মোঃ আবুল কালাম আজাদকে জড়িত করে ৪ (চার) জনের বিরুদ্ধে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং ডা: আজাদকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে ও তাদের দ্বারা কৃত অপরাধমূলক লুঠপাট, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনায় স্থানীয় থানা পুলিশ কোন মামলা গ্রহণ করবে না দাবীতে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ, ভাংচুর ও বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে স্থানীয় প্রশাসন ষড়যন্ত্রকারী ও বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে আইন শৃংখলা রক্ষার অজুহাতে তাদের সকল দাবী মেনে নিয়ে ডা: মোঃ আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করে গত ২ আগস্ট ২০১১ ইং তারিখে জেল হাজতে প্রেরন করে। বিনাদোষে দীর্ঘ চার মাস হাজত বাসের পর গত ১৯শে ডিসেম্বর ডাঃ আজাদ জামিনে মুক্তি পান।

                                                              পর্যবেক্ষনসূমহ:                 

তথ্যানুসন্ধানদল ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মো: নয়ন, ভিক্টিমের পিতা, স্থানীয় জনতা, চিকিৎসক, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশসহ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য গ্রহণ করেন এবং মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র, পত্রিকায় প্রকাশিত ঘটনা সম্পর্কিত বিভিন্ন খবর ও বিশেষজ্ঞ মতামত বিশ্লেষন করে নিম্নলিখিত পর্যবেক্ষনমূলক সিদ্ধান্তে উপনিত হন:

1)            ঘটনার সাথে ডা: মোঃ আবুল কালাম আজাদ আদৌ জড়িত নন । ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এসময় তিনি তার বাসায় অবস্থান করছিলেন এবং এদিন বিকেলে তিনি শহরে ফ্রি রোগী দেখায় ব্যস্ত ছিলেন।

2)           এলাকায় ডা: আজাদ ভদ্র, সদালাপী ও সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত । তিনি গরীব দুঃখী মানুষের চিকিৎসা বিনে পয়সায় করেন বলে সুখাতি আছে। অতীতে তার বিরুদ্ধে অপরাধমুলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার কোন অভিযোগ নেই।

3)           ভিক্টিমের পিতা অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এজাহারে ডা: আজাদকে জড়িত করেছেন এজাহারে তিনি উলেস্নখ করেছেন যে তিনি ঘটনা দেখেন নাই শুধু একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী আহত ভিক্টিমের বর্ননামতে এজাহার দায়ের করেছেন কিন্তু একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মো: নয়ন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মূখে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত জবানবন্দীতে ডা: আজাদ ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন বা ঘটনার সাথে আদৌ জড়িত বলে উল্লেখ করেন নি

4)           ভিক্টিমের পিতা এজাহারে .............ইফতার খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে........বাচচাকে ঘটনাস্থলে নিয়েছে বলে উল্ল্যেখ করেছেনকিন্তু একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী মো: নয়ন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মূখে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত জবানবন্দীতে ........৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা পোতা আছে........... বলে ল্ল্যেখ করেছেন যদিও এজাহারকারী এই প্রত্যক্ষদর্শী বরাত দিয়ে এজাহার দায়ের করেছেন

5)           ভিক্টিমের পিতা এজাহারে উলেস্নখ করেছেন যে ডা. আজাদের কামিয়াব কোচিং সেন্টারের............. কিন্তু বাস্তবে কোচিং সেন্টারটি আদৌ ডা: আজাদের নয় নটির মালিক ডা: আজাদের স্ত্রী মোছাম্মৎ মালেকা বেগম অত্র জেলার কোতয়ালী থানাধীন মো: আতিকুর রহমানের ছেলে মো: মোকলেছুর রহমান (মুন্না) র নিকট আধা পাকা ভবনটি মাসিক ১৫০০ (পনেরশত) টাকায় ১৫০ টাকার নন-জডিশিয়াল স্টাম্পের উপর সম্পাদিত লিখিত চুক্তি মোতাবেক ভাড়া দিয়েছেন

6)           ভিক্টিমের পিতা এজাহারে উলেস্নখ করেছেন যে, ...........অনুমান ৫০ (পঞ্চাশ) গজ দক্ষিনে ফাঁকা প্লট জায়গায় নিয়ে যায়কিন্তু বাস্তবে ঘটনাস্থল ডা: আজাদের স্ত্রীর মালিকাধীন ভবনের অনুমান ৫০০ (পাঁচশত) গজ দক্ষিনে চারিদিকে ইটের প্রাচীর দেওয়া জায়গা
        
7)           ভিক্টিমের পিতা এজাহারে উলেস্নখ করেছেন যে .................ডা: আবুল কালাম আজাদের একটি পানিভর্তি চৌবাচ্চায় ফেলে দেয় কিন্তু বাস্তবে ডা: আজাদের পানিভর্তি বা শুকনা চৌবাচ্চার আদৌ কোন অস্তিত্ত্ব নেই তবে ঘটনাস্থলের পাশে উক্ত প্রাচীর ঘেরা জায়গার মালিকের ইট ভেজানোর জন্য তৈরিকৃত একটি পরিত্যাক্ত ছোট চৌবাচ্চা আছে

8)           ভিক্টিমের পিতা এজাহারে উল্ল্যেখ করেছেন যে .................গলার বাম পার্শে এবং বুকে আঘাত করে...........কিন্তু সুরতহাত রিপোর্ট ও ময়না তদন্ত  রিপোর্টে ভিক্টিমের গলার বাম পার্শে আঘাতের কোন চিহ্ন ঊল্ল্যেখ নেই

9)            ভিক্টিমের পিতা এজাহারে উলেস্নখ করেছেন যে ................আসামীরা বিদেশী মাগুর মাছের চাষ করে আসছেকিন্তু ঘটনা পরবর্তী সময়ে পুলিশের উপস্থিতিতে চৌবাচ্চাটি সেঁচা হলে বিদেশী মাগুর মাছ কেন একটি পুঁটি মাছেরও অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি

10)       ভিক্টিমের পিতা এজাহারে উল্ল্যখ করেছেন যে....................এই ঘটনা দেখে আমার বড় ছেলে দৌড়ে পালাতে চেষ্টা করলে আসামীরা তাকেও আটক করে মাথায় ইটের আঘাত করে জবাই করার জন্য উদ্যত হলে.....................কিন্তু ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ও এজাহারকারীর বড় ছেলে কর্তৃক ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল মাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী মতে আসামী শাহীন, আফসার ও আশরাফুল মিলে প্রথমে তাকে আঘাত করে আহত করেন এবং তার পর তার ছোট ভাইকে হত্যা করে পানির চৌবাচ্চাতে ফেলে দেয়

11)         ভিক্টিমের পিতা এজাহারের একাংশে উল্ল্যেখ করেছেন যে ........আসামীরা তড়িঘড়ি করে দুটি মোটর সাইকেলযোগে শহরের দিকে চলে যাচ্ছেআবার এই এজাহারের অপর অংশে উল্ল্যেখ করেছেন যে .............পুলিশ ডা: আজাদকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন যা এজাহারকারীর বক্তব্য ও প্রদত্ত তথ্যে স্পষ্টত পরস্পর বিরোধী

12)        ভিক্টিমের পিতা এজাহারে উলেস্নখ করেছেন যে.................ঐ ডাক্তারের নিজের পানির ট্যাংকের চৌবাচ্চা থেকে মৃত বাচ্চার মরদেহ উদ্ধার করেন । কিন্তু ডা: আজাদকে গ্রেফতারপূর্বক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নিকট সোপর্দ করন পত্রে .......ঘটনাস্থল সংলগ্ন একটি পানি ভর্তি চৌবাচ্চার মধ্যে........ ল্ল্যেখ করেনযা এজাহারকারীর বক্তব্য ও তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্যেও পরস্পর বিরোধীতাছাড়া, বাস্তবে ডা: আজাদের স্ত্রীর মালিকানাধীন ভবনে  পানির ট্যাংক বা চৌবাচ্চার আদৌ কোন অস্তিত্ব নেই

13)       ভিক্টিমের পিতা কোচিং সেন্টার যে ভবনে অবস্থিত সেই ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করলেও রহস্যজনকভাবে কোচিং সেন্টারটির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নি।

14)         ভিক্টিমের পিতা প্রত্যক্ষদর্শী না হওয়া সত্ত্বেও এজাহারে ঘটনার সময় উল্ল্যেখ করেছেনকিন্তু ভিক্টিমের মৃত দেহ উদ্ধারের সময় তিনি উপস্থিত থাকলেও রহস্যজনকভাবে মৃত দেহ উদ্ধারের সময় উল্ল্যেখ করার প্রয়োজন বোধ করেন নি

15)        ঘটনার অব্যাবহিত পরে এজাহারকারী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া ও মৃতদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশের উপস্থিতি  এবং ঘটনাস্থল থেকে থানার দুরূত্ব অনুমান ০৬ (ছয়) কিলোমিটার হওয়া সত্ত্বেও সনেদহ ও রহস্যজনকভাবে ঘটনার ১০ (দশ) ঘন্টা পর এজাহার দায়ের করা  হয় ।

16)         মৃতদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশের উপস্থিতি থাকা স্বত্ত্বেও উদ্ধারস্থলে মৃতদেহের সুরতহাল না করে  আইনকে পাশ কাটিয়ে রহস্যজনকভাবে মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘন্টা পরে বাদীর নিজ বাড়ীতে লাশের সুরতহাল করা হয়

17)        সুরতহাল রিপোর্টে ডান হাতের কানি আঙ্গুলে কাটা যখমের কথা উল্ল্যেখ থাকলেও ময়না তদন্ত রিপোর্টে ডান হাতের তর্জনী আঙ্গুলে কাটা যখমের কথা উল্ল্যেখ আছে

18)        ডা: আজাদকে গ্রেফতারপূর্বক মামলার  তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নিকট সোপর্দ করন পত্রে ..............ইফতার খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়া............ ল্ল্যেখ করেন যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক সামান্যতম তদন্ত না করে তোতা পাখির মত শুধুমাত্র এজাহারে উল্ল্যেখিত বুলি আওরানোই প্রমান করে

19)         এজাহারে উল্ল্যেখ না থাকলেও ডা: আজাদকে গ্রেফতারপূর্বক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নিকট সোপর্দকরন পত্রে কোন তদন্ত ছাড়াই .............ধৃত আসামীর ক্যামিযাব কোচিং সেন্টারে ........... ল্ল্যেখ করেন অথচ একই মামলায় গ্রেফতারকৃত অপর আসামীর আদালতের নিকট সোপর্দ করন পত্রে শুধুমাত্র ......... ক্যামিযাব কোচিং সেন্টার ........ ল্ল্যেখ করেছেন ।

20)       ডা: আজাদকে গ্রেফতারপূর্বক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নিকট সোপর্দকরন পত্রে  কোন তদন্ত ছাড়াই ............উক্ত আসামীর মামলার ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা থাকার ব্যাপারে যতেষ্ট প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গিয়েছে  বলে ঊল্ল্যেখ করেছেনকিন্তু কি তথ্য বা কি ধরনের সত্যতা পাওয়া গিয়েছে তা উল্ল্যেখ করেন নি

21)         ডা: আজাদকে গ্রেফতারপূর্বক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নিকট সোপর্দ করন পত্রে ............এলাকায় মারাত্বক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এবং ক্ষোভের সৃষ্টি করিয়াছে ।............দিনাজপুর- গোবিন্দগঞ্জ পাকা সক অবরোধ করে রাখে ল্ল্যেখ করেছেন যাতে স্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা  থাকার জন্য নয়, শুধু মাত্র ডা: আজাদকে জেলে পুরে তার সম্পত্তি গ্রাসসহ ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ডা: আজাদেও স্ত্রীর মালিকানাধীন বাড়ীটি ভাংচুর, লুটপা করে যারা উক্ত শিশু হত্যা ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে এবং তার বাড়ী ভাংচুর ও লুটপাতের অপরাধের শাস্তি থেকে নিজেদেবাঁচাতে নিহত শিশুর দরিদ্র অশিক্ষিত রিকসা চালক বাবাকে ভুল বুঝিয়ে ঘটনাটির একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত ছেলে মো: নয়ন এর বরাত দিয়ে ডা: আবুল কালাম আজাদকে জড়িত করে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং ডা: আজাদকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে ও তাদের কৃত অপরাধমূলক লুঠপাট ও ভাংচুরের ঘটনায় স্থানীয় থানা পুলিশ কোন মামলা গ্রহণ করবে না দাবীতে দিনাজপুর-ঢাকা মহা সড়ক অবরোধ, ভাংচুর ও বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে স্থানীয় প্রশাসন ষড়যন্ত্রকারী ও বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে আইন শৃংখলা রক্ষার অজুহাতে তাদের সকল দাবী মেনে নিয়ে ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করে।  

22)       ক্ষেত্রে জাতির বিবেক বলে পরিচিত স্থানীয় সাংবাদিকের কিছু অংশ ষড়যন্ত্র্রকারী ও দুষ্কৃতিকারীদের দ্বারা প্রভাবিত ও আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে কিডনি, কঙ্কাল, চোখ ব্যবসায়ের জন্য শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছেসহ বিভিন্নরকম স্পর্শকাতর বিষয়ে রং, রূপ, রস লাগিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত ও উষ্কে দিতে জোড় ভুমিকা পালন করে।  

23)       ঘটনা পরবর্তী সময়ে ডাঃ আজাদের মুক্তির জন্য স্থানীয় ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সাধারন  জনগন মানববন্ধন করেন।

24)       ঘটনা পরবর্তী সময়ে ডাঃ আজাদের মুক্তির জন্য স্থানীয় বি এম এ কালো ব্যাজ ধারন, কর্মবিরতি পালন ও প্রশাসনের নিকট স্মারক লিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসুচী পালন করেন।

25)       ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল সরকার পতনের জন্য আন্দোলন করার চিন্তা ভাবনা করেছিলেন।

26)       ঘটনা পূর্ববর্তী সময়ে কতিপয় প্রভাবশালী দুষ্কৃতিকারী ঐ বাড়ী ও পার্শবর্তী জমি জোড়পূর্বক দখলের চেষ্ঠা করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ হয়েছে এবং ঘটনা পরবর্তীতে আদালতের নিশেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও প্রভাবশালীমহ্ল পার্শবর্তী জমিটি জোড়পুবক দখল করে নিয়ে একটি ঘর তৈ্রি করেছে
                                                                                                           
সুপারিশসুমূহ:
        
1.             নির্দোষ ডা: মোঃ আবুল কালাম আজাদকে অবিলম্বে অত্র মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে দ্রুত চার্জশীট দেওয়া হক;

2.            ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত প্রকৃত হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে শাস্তি প্রদান করা হক;

3.            হাইকোটের বিচারক সমন্বয়ে অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক তদন্ত রিপোর্ট জনসম্মূখে প্রকাশ করা হক;

4.            ডা: আজাদের স্ত্রীর মালিকানাধীন বাড়ী লুটপাট ও ভাংচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হক;

5.            মিথ্যে গুজব ছড়িয়ে আইন শৃংখলা বিঘ্নকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে উপর্যূক্ত শাস্তি প্রদান করা হক;

6.            সমাজের বিবেক বলে পরিচিত সংবাদপত্রের মধ্যে যারা প্রভাবিত ও আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে মিথ্যে খবর প্রকাশের মাধ্যমে বিশৃংখল পরিস্থিতি সৃষ্টিতে ভুমিকা রেখেছে তাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে উপর্যূক্ত শাস্তি প্রদান করা হক;

7.            ডা: আজাদ ও তার পরিবার এবং নিহত শিশুর পিতা-মাতা ও তার পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদান করা হক;

8.            ডা: আজাদ ও নিহত শিশুর পরিবারকে উপর্যূক্ত ক্ষতিপূরন প্রদান করা হক।


ডভোকেট শাহানূর ইসলাম সৈকত
নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব হিউম্যান রাইটস্‌, ঢাকা
কান্ট্রি অবজারভার-বাংলাদেশ, গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স, নেদারল্যান্ডস    
প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব, জাষ্টিসমেকার্স বাংলাদেশ, ঢাকা
মোবাইল ফোনঃ ০১৭২০৩০৮০৮০, 01554604160
www.shahanur.blogspot.com, www.justicemakersbd.org, www.ghrd.org

Monday, January 9

STATEMENT: Bangladeshi lawyer, human rights defender and journalist received threats from policeman during the fact finding investigation.

Advocate Shahanur Islam, Founding Secretary General of JusticeMakers Bangladesh, Executive Director of Bangladesh Institute of Human Rights (BIHR), Country observer of Global Human Rights Defence (GHRD), Netherlands, Legal & Human Rights affairs editor of the Monthly Doyel and also member of Dhaka Bar association and Bangladesh bar Council received threats from a sub inspector of police during a fact finding investigation on December25, 2011. You are requested to read the full investigation report visiting the following link: Full Fact Finding Report

According the statement received from Mr. Islam and his associate, during the fact finding investigation on the incident of death of a businessman in jail custody due to torture as well as negligence of treatment for bribe at Badalgachhi Upazila under naogaon district, some civil dressed people (it is assumed by the fact finding team that they were security personnel dressed as civilians) were continuously following the investigation team intend to create scaring atmosphere.  When the fact finding team contacted the accused policeman Assistant Sub Inspector Rabiul Islam about his statement regarding taking bribe through cell phone, he refused to talk rather he handed over the phone to Sub Inspector Rafikul Islam and Mr. Islam threatened to Mr. Shahanur Islam, head of the fact finding team stating proudly that “we are entitled to take money from accused person for our cost of fuel, tea and cigarette. So, you can not do anything against our activities, rather you will face trouble to further continue your activities.” He also told that “We want to see your power, show us your power, if you have any power to stop our activities, you can exercise it; otherwise go to hell”.

This is not any isolated instance of such kind of threats on human rights defenders, lawyer and journalist in Bangladesh. It is a very common phenomenon for the professionals like human rights defenders of Bangladesh facing attacked, harassment, ill treatment, death threats from the terrorist, law-enforcing agencies and security forces. It is well-known that Bangladesh has cultivated one of the best cultures of impunity to alleged perpetrators of human rights abuses despite the nation’s presence in the UN Human Rights Council since May 2006. Instead of improving the country’s human rights records the government of Bangladesh has paved the ways to degrade the rights of the citizens through various means of violations.

JusticeMakers Bangladesh, Bangladesh Institute of Human Rights (BIHR) deeply concerned over the treats received by human rights defender, lawyer & journalist Mr. Shahanur Islam from Sub Inspector of police Mr. Rafiqul Islam and demanded a full and impartial investigation into the misconduct of relevant official is required and that those responsible are punished.